Blog

টেক্সটাইল মিলে কোন কোন কেমিক্যাল লাগে — সম্পূর্ণ তালিকা ও গাইড

টেক্সটাইল কেমিক্যাল বাংলাদেশ সম্পূর্ণ তালিকা ও ব্যবহার গাইড

টেক্সটাইল মিলে কোন কোন কেমিক্যাল লাগে

টেক্সটাইল কেমিক্যাল বাংলাদেশ | আপডেট: ২০২6

বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প বিশ্বের অন্যতম বড়। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ কেজি কাপড় তৈরি হয় এই দেশে। কিন্তু একটা সুতা থেকে তৈরি পোশাক বাজারে আসতে কতগুলো কেমিক্যালের মধ্য দিয়ে যায় — সেটা অনেকেই জানেন না। টেক্সটাইল মিলে কাপড় তৈরির প্রতিটি ধাপে আলাদা আলাদা কেমিক্যাল লাগে। প্রি-ট্রিটমেন্ট থেকে শুরু করে ডাইং, প্রিন্টিং, ফিনিশিং — প্রতিটি স্তরে সঠিক কেমিক্যাল ব্যবহার না করলে কাপড়ের মান নষ্ট হয়।

এই গাইডে আপনি পাবেন টেক্সটাইল প্রসেসিংয়ের প্রতিটি ধাপের কেমিক্যালের বিস্তারিত তালিকা, তাদের কাজ এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্যবহারিক তথ্য।

কেন এই গাইড দরকার? বাংলাদেশে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার টেক্সটাইল কেমিক্যাল আমদানি হয়। সঠিক কেমিক্যাল সঠিক পরিমাণে ব্যবহার করলে উৎপাদন খরচ কমে, কাপড়ের মান বাড়ে এবং বায়ার কম্পেইন কমে।

টেক্সটাইল প্রসেসিংয়ের ধাপগুলো

কাপড় তৈরিতে মূলত ছয়টি বড় ধাপ রয়েছে। প্রতিটি ধাপে আলাদা ক্যাটাগরির কেমিক্যাল ব্যবহার হয়।

ধাপ ০১ প্রি-ট্রিটমেন্ট
কাপড় ডাই করার আগে পরিষ্কার করা হয় — তেল, ময়লা, স্লাইজিং এজেন্ট সরানো হয়।
ধাপ ০২ ডাইং
কাপড়কে রং করা হয়। ফাইবারের ধরন অনুযায়ী ডাই ক্লাস বাছাই করতে হয়।
ধাপ ০৩ প্রিন্টিং
নির্দিষ্ট প্যাটার্ন বা ডিজাইন কাপড়ে বসানো হয় পেস্ট ও বাইন্ডার ব্যবহার করে।
ধাপ ০৪ ফিনিশিং
কাপড়কে নরম, শক্ত, ওয়াটার রেপেলেন্ট বা ফ্লেম রিটার্ডেন্ট করা হয়।
ধাপ ০৫ ওয়াশিং / আফটার-ট্রিটমেন্ট
বাড়তি ডাই ও কেমিক্যাল সরানো হয়। কালার ফাস্টনেস নিশ্চিত করা হয়।
ধাপ ০৬ স্পেশাল ট্রিটমেন্ট
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, ইউভি প্রটেকশন, অয়েল রিপেলেন্ট ইত্যাদি বিশেষ ফিচার যোগ করা হয়।

১. প্রি-ট্রিটমেন্ট কেমিক্যাল

কাপড় লুম থেকে আসার পর সরাসরি ডাই করা যায় না। গ্রে ফ্যাব্রিকে তেল, মোম, স্টার্চ এবং অন্যান্য অপদ্রব্য থাকে। প্রি-ট্রিটমেন্ট প্রক্রিয়ায় এগুলো সরানো হয়। এই ধাপের কেমিক্যালগুলো হলো:

কেমিক্যালের নাম ক্যাটাগরি কাজ
সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড (কস্টিক সোডা) প্রি-ট্রিটমেন্ট মার্সারাইজিং ও স্কাওয়ারিংয়ে ব্যবহার হয়। কটনের লাস্টার বাড়ায়।
হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H₂O₂) প্রি-ট্রিটমেন্ট ব্লিচিং এজেন্ট। কাপড় সাদা করে ও প্রাকৃতিক রং তুলে দেয়।
ওয়েটিং এজেন্ট / সারফ্যাক্ট্যান্ট প্রি-ট্রিটমেন্ট পানির সারফেস টেনশন কমিয়ে কেমিক্যাল দ্রুত ফাইবারে ঢুকতে সাহায্য করে।
সিকোয়েস্ট্রেন্ট / চিলেটিং এজেন্ট প্রি-ট্রিটমেন্ট পানিতে থাকা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আয়ন আটকে রাখে। হার্ড ওয়াটারের সমস্যা দূর করে।
ডিসাইজিং এনজাইম (আলফা অ্যামাইলেজ) প্রি-ট্রিটমেন্ট স্টার্চ-বেসড সাইজ সরায়। স্কাওয়ারিংয়ের আগে অ্যাপ্লাই হয়।
স্ট্যাবিলাইজার (পার অক্সাইড কিলার) প্রি-ট্রিটমেন্ট ব্লিচিং শেষে অবশিষ্ট পারঅক্সাইড নিউট্রালাইজ করে।
অ্যাসিটিক এসিড প্রি-ট্রিটমেন্ট পিএইচ নিউট্রালাইজার হিসেবে কাজ করে। অ্যালকালি প্রসেসের পর ব্যবহার হয়।
এনজাইম (বায়ো পলিশিং) প্রি-ট্রিটমেন্ট কটনের পিলিং দূর করে, কাপড়ের সারফেস স্মুদ করে।

২. ডাইং কেমিক্যাল

টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে ডাইং ধাপ সবচেয়ে কেমিক্যাল-নির্ভর। ফাইবার টাইপ ভেদে ডাই ক্লাস আলাদা হয়। কটনের জন্য রিঅ্যাক্টিভ ডাই, পলিয়েস্টারের জন্য ডিসপার্স ডাই, নাইলনের জন্য অ্যাসিড ডাই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত।

কেমিক্যালের নাম ক্যাটাগরি কাজ
রিঅ্যাক্টিভ ডাই ডাইং কটন ও ভিসকোস ফাইবারের জন্য। সেলুলোজের সাথে কেমিক্যাল বন্ড তৈরি করে। কালার ফাস্টনেস ভালো।
ডিসপার্স ডাই ডাইং পলিয়েস্টার ফাইবারের জন্য। হাই টেম্পারেচার (১২০–১৩০°C) প্রসেসে কাজ করে।
ভ্যাট ডাই ডাইং কটনের জন্য। অক্সিডেশন প্রক্রিয়ায় রং স্থায়ী হয়। লাইটফাস্টনেস সর্বোচ্চ।
অ্যাসিড ডাই ডাইং নাইলন, ওয়ুল ও সিল্কের জন্য। অ্যাসিড পিএইচ-এ কাজ করে।
ডাইরেক্ট ডাই ডাইং কটন ও ভিসকোসে সহজে অ্যাপ্লাই হয়। আফটার-ট্রিটমেন্ট ছাড়াও ব্যবহারযোগ্য।
সোডিয়াম সালফেট (গ্লবার সল্ট) ডাইং অক্সিলারি রিঅ্যাক্টিভ ডাইংয়ে এক্সহাসশন প্রমোটার। ডাই ফাইবারে সমানভাবে বসতে সাহায্য করে।
সোডিয়াম কার্বনেট (সোডা অ্যাশ) ডাইং অক্সিলারি রিঅ্যাক্টিভ ডাইংয়ে ফিক্সেশন অ্যালকালি। পিএইচ ১০.৫–১১ বজায় রাখে।
ডিসপারসিং এজেন্ট ডাইং অক্সিলারি পলিয়েস্টার ডাইংয়ে ডাই পার্টিকেল সমানভাবে ছড়িয়ে দেয়। আনইভেন ডাইং রোধ করে।
লেভেলিং এজেন্ট ডাইং অক্সিলারি ডাই সমানভাবে কাপড়ে বসায়। স্ট্রিকিনেস ও আনইভেননেস কমায়।
অ্যান্টি-মাইগ্রেটিং এজেন্ট ডাইং অক্সিলারি ড্রায়িংয়ের সময় ডাই মাইগ্রেশন রোধ করে। প্যাড-ড্রাই প্রসেসে গুরুত্বপূর্ণ।
ফিক্সেটিভ ডাইং অক্সিলারি ডাই ফিক্সেশন বাড়ায়। ওয়াশফাস্টনেস উন্নত করে।
ক্যারিয়ার (পলিয়েস্টার ডাইংয়ে) ডাইং অক্সিলারি লো টেম্পারেচার পলিয়েস্টার ডাইংয়ে ব্যবহার হয়। ফাইবার সোয়েলিং বাড়ায়।

৩. প্রিন্টিং কেমিক্যাল

স্ক্রিন প্রিন্টিং ও ডিজিটাল প্রিন্টিং দুটো পদ্ধতিতেই কেমিক্যাল লাগে। পেস্ট থিকনার ছাড়া প্রিন্টিং পেস্ট তৈরি সম্ভব না।

কেমিক্যালের নাম ক্যাটাগরি কাজ
থিকনার (সোডিয়াম অ্যালজিনেট) প্রিন্টিং প্রিন্ট পেস্টকে ঘন করে। ডিজাইনের শার্পনেস নিশ্চিত করে।
সিনথেটিক থিকনার প্রিন্টিং পিগমেন্ট প্রিন্টিংয়ে ব্যবহার। পানিতে সহজে মিশে।
পিগমেন্ট ডাই প্রিন্টিং সব ধরনের ফাইবারে ব্যবহারযোগ্য। বাইন্ডারের সাথে ব্যবহার করতে হয়।
বাইন্ডার প্রিন্টিং পিগমেন্টকে ফাইবারের সাথে আটকে রাখে। ওয়াশফাস্টনেস নির্ধারণ করে।
ক্রসলিংকিং এজেন্ট প্রিন্টিং বাইন্ডার ফিল্মকে শক্ত করে। রাবিং ও ওয়াশ ফাস্টনেস বাড়ায়।
ফিক্সিং এজেন্ট (রিঅ্যাক্টিভ প্রিন্টে) প্রিন্টিং স্টিমিং বা কিউরিং প্রসেসে ডাই ফিক্স করে।
ইউরিয়া প্রিন্টিং হাইগ্রোস্কোপিক এজেন্ট। ডাইং ও স্টিমিংয়ে ময়েশ্চার ধরে রাখতে সাহায্য করে।
রিজার্ভ এজেন্ট প্রিন্টিং কাপড়ের নির্দিষ্ট অংশে রং না লাগাতে ব্যবহার হয়। রেজিস্ট প্রিন্টিংয়ে কাজ করে।

৪. ফিনিশিং কেমিক্যাল

ফিনিশিং ধাপ কাপড়কে বাজারযোগ্য করে তোলে। হ্যান্ড ফিল, লুক ও পারফরমেন্স — সবকিছু নির্ভর করে সঠিক ফিনিশিং কেমিক্যালের উপর। বাংলাদেশে রপ্তানি কাপড়ের জন্য বায়াররা নির্দিষ্ট ফিনিশিং দাবি করেন।

কেমিক্যালের নাম ক্যাটাগরি কাজ
সফটনার (সিলিকোন) ফিনিশিং কাপড় নরম করে। হ্যান্ড ফিল উন্নত করে। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত।
ক্যাটায়নিক সফটনার ফিনিশিং কটন ও ব্লেন্ড ফ্যাব্রিকে ব্যবহার হয়। কস্ট-ইফেক্টিভ।
ওয়াটার রিপেলেন্ট (C6 / C8 ফ্লোরোকার্বন) ফিনিশিং কাপড়ে পানি না লাগার গুণ দেয়। আউটডোর ও স্পোর্টসওয়্যারে প্রয়োজন।
স্টার্চ / রিজিন ফিনিশিং এজেন্ট ফিনিশিং কাপড় শক্ত করে। ফর্মাল শার্ট ও ইউনিফর্মে ব্যবহার হয়।
ইজি কেয়ার রিজিন ফিনিশিং রিংকেল রেজিস্ট্যান্স দেয়। নন-আয়রন শার্টের জন্য জরুরি।
ফ্লেম রিটার্ডেন্ট ফিনিশিং আগুন ধরার গতি কমায়। শিশুপোশাক ও ওয়ার্কওয়্যারে আবশ্যিক।
অ্যান্টিস্ট্যাটিক এজেন্ট ফিনিশিং সিনথেটিক ফ্যাব্রিকের স্ট্যাটিক চার্জ দূর করে।
ওজোন ডিসকলোরেশন রেজিস্ট্যান্ট ফিনিশিং স্পান্ডেক্স ও ইলাস্টেন ফ্যাব্রিকে রং বিবর্ণতা রোধ করে।

৫. ওয়াশিং ও আফটার-ট্রিটমেন্ট কেমিক্যাল

ডাইং ও প্রিন্টিংয়ের পর কাপড়ে যে বাড়তি কেমিক্যাল থাকে তা ধুয়ে ফেলতে হয়। নয়তো ব্লিডিং ও রং ফ্যাকাশে হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়।

কেমিক্যালের নাম ক্যাটাগরি কাজ
সোপিং এজেন্ট / ওয়াশিং এজেন্ট আফটার-ট্রিটমেন্ট অনফিক্সড ডাই সরায়। ওয়াশফাস্টনেস উন্নত করে।
নিউট্রালাইজিং এজেন্ট আফটার-ট্রিটমেন্ট অ্যালকালি প্রসেসের পর পিএইচ স্বাভাবিক করে।
রিডাকটিভ ক্লিনিং এজেন্ট আফটার-ট্রিটমেন্ট পলিয়েস্টার ডাইংয়ের পর সারফেস ডাই সরায়। রাবিং ফাস্টনেস বাড়ায়।
ক্যাটায়নিক ফিক্সেটিভ আফটার-ট্রিটমেন্ট রিঅ্যাক্টিভ ডাইংয়ের পর ওয়াশ ফাস্টনেস বাড়ায়।
অ্যান্টি-ব্যাক স্টেইনিং এজেন্ট আফটার-ট্রিটমেন্ট ওয়াশিংয়ের সময় একটি কাপড়ের রং অন্যটিতে লেগে যাওয়া রোধ করে।

৬. স্পেশাল ফাংশনাল ফিনিশিং কেমিক্যাল

উচ্চমূল্যের ফাংশনাল কাপড় তৈরিতে এই কেমিক্যালগুলো ব্যবহার হয়। বিদেশি বায়াররা প্রায়ই এই ধরনের ট্রিটমেন্ট চান।

কেমিক্যালের নাম ক্যাটাগরি কাজ
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট স্পেশাল ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস বৃদ্ধি রোধ করে। স্পোর্টসওয়্যার ও হোম টেক্সটাইলে ব্যবহার হয়।
ইউভি প্রটেক্টিভ ফিনিশ স্পেশাল কাপড় ক্ষতিকর আলট্রাভায়োলেট রশ্মি আটকায়। সানওয়্যারে প্রয়োজন।
অয়েল ও ওয়াটার রিপেলেন্ট (ডুয়েল) স্পেশাল পানি ও তেল দুটো একসাথে প্রতিরোধ করে। প্রটেক্টিভ ক্লোদিংয়ে ব্যবহার হয়।
থার্মাল রেগুলেটিং ফিনিশ (PCM) স্পেশাল শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। স্মার্ট টেক্সটাইলে ব্যবহার হয়।
মস্ট রিপেলেন্ট (পার্মেথ্রিন) স্পেশাল পোকামাকড় তাড়ায়। মিলিটারি ও আউটডোর গিয়ারে ব্যবহার হয়।
কুল ফিল ফিনিশ স্পেশাল কাপড়কে স্পর্শে ঠান্ডা অনুভব দেয়। গ্রীষ্মকালীন পোশাকে জনপ্রিয়।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত কেমিক্যাল: সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, রিঅ্যাক্টিভ ডাই, সোডা অ্যাশ, গ্লবার সল্ট, সিলিকোন সফটনার এবং অ্যাসিটিক এসিড — এই সাতটি কেমিক্যাল টেক্সটাইল মিলে সবসময় প্রয়োজন হয়।

বাংলাদেশে টেক্সটাইল কেমিক্যাল বাজার

বাংলাদেশে টেক্সটাইল কেমিক্যালের বেশিরভাগ আসে চীন, ভারত, জার্মানি ও কোরিয়া থেকে। নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও চট্টগ্রাম এই তিনটি এলাকায় দেশের বেশিরভাগ ডাইং-ফিনিশিং মিল অবস্থিত। ঢাকার মিটফোর্ড ও পোস্তগোলা এলাকায় কেমিক্যাল ট্রেডারদের বাজার আছে।

টেক্সটাইল কেমিক্যাল কেনার সময় চারটি বিষয় মনে রাখা জরুরি: কেমিক্যালের গ্রেড ও বিশুদ্ধতা, টেকনিক্যাল ডেটা শিট (TDS), সেফটি ডেটা শিট (SDS) এবং ব্র্যান্ডের REACH বা OEKO-TEX সার্টিফিকেশন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

টেক্সটাইল ডাইংয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেমিক্যাল কোনটি?
ডাই ছাড়াও সোডা অ্যাশ ও সোডিয়াম সালফেট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। রিঅ্যাক্টিভ ডাইংয়ে এই দুটো ছাড়া ডাই ফিক্স হয় না। সঠিক অনুপাতে ব্যবহার না করলে আনইভেন ডাইং ও ফাস্টনেস সমস্যা দেখা দেয়।
পলিয়েস্টার কাপড় ডাই করতে কী লাগে?
পলিয়েস্টারের জন্য ডিসপার্স ডাই ব্যবহার করতে হয়। সাথে ডিসপারসিং এজেন্ট, pH নিয়ন্ত্রণের জন্য অ্যাসিটিক এসিড এবং রিডাকটিভ ক্লিনিং এজেন্ট লাগে। প্রসেস টেম্পারেচার ১২০–১৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রাখতে হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *