Spirulina Powder (স্পিরুলিনা পাউডার)
Spirulina হলো নীল-সবুজ শৈবাল (Blue-green algae), যা বিশ্বের অন্যতম পুষ্টিকর এবং শক্তিশালী প্রাকৃতিক খাদ্য বা ‘সুপারফুড’ হিসেবে স্বীকৃত। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। নাসা (NASA) মহাকাশচারীদের ডায়েটে এটি ব্যবহার করার পর থেকে এর জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে আকাশচুম্বী। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ থেকে শুরু করে অ্যাথলেট—সবার জন্য এটি একটি প্রাকৃতিক মাল্টিভিটামিন।
আরও দেখুন আমাদের Food Chemical Collection
ব্যবহার ও পুষ্টিগুণ
-
প্রোটিনের পাওয়ারহাউস: স্পিরুলিনায় প্রায় ৬০-৭০% প্রোটিন থাকে, যা মাংস বা সয়াবিনের চেয়েও অনেক বেশি।
-
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এটি শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে এবং ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।
-
এনার্জি বুস্টার: ক্লান্তি দূর করে তাৎক্ষণিক শক্তি যোগাতে এটি চমৎকার কাজ করে।
-
ডিটক্সিং এজেন্ট: শরীর থেকে ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত পদার্থ (Toxins) বের করে দিতে সাহায্য করে।
-
রক্তস্বল্পতা দূরীকরণ: এতে প্রচুর আয়রন থাকে, যা হিমোগ্লোবিন বাড়াতে এবং রক্তস্বল্পতা (Anemia) দূর করতে কার্যকর।
প্রয়োগ ক্ষেত্র
-
হেলথ সাপ্লিমেন্ট: সরাসরি পানির সাথে, স্মুদি বা জুসে মিশিয়ে সুপারফুড ড্রিঙ্ক হিসেবে খাওয়া হয়।
-
কসমেটিকস ও রূপচর্চা: অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং বয়সের ছাপ দূর করে।
-
একুয়াকালচার ও পোল্ট্রি: মাছ এবং সৌখিন পাখির (যেমন- লরিকেট, কবুতর) রঙ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ফিড সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য
-
বাহ্যিক গঠন: গাঢ় সবুজ সূক্ষ্ম পাউডার।
-
গন্ধ: সমুদ্রের শৈবালের মতো প্রাকৃতিক ঘ্রাণ।
-
বিশুদ্ধতা: আমরা প্রিমিয়াম এবং অর্গানিক গ্রেড স্পিরুলিনা সরবরাহ করি, যা ক্ষতিকারক কেমিক্যাল মুক্ত।
-
দ্রবণীয়তা: পানি বা তরল খাবারের সাথে সহজে মিশে যায়।
সুবিধা ও বিশেষত্ব
-
১০০% প্রাকৃতিক: এটি কোনো কৃত্রিম রং বা প্রিজারভেটিভ ছাড়াই তৈরি।
-
ওজন নিয়ন্ত্রণ: এটি বিপাক প্রক্রিয়া (Metabolism) বাড়িয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
-
হার্ট হেলথ: কোলেস্টেরল এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এটি সহায়ক।
সেবন বিধি (Dosage)
সাধারণত প্রতিদিন ১-৩ গ্রাম (১ চা চামচ) পাউডার পানি, ফলের রস বা স্মুদির সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়। তবে গর্ভবতী নারী বা বিশেষ রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।
সংরক্ষণ পদ্ধতি
-
পরিবেশ: সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে শীতল ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।
-
প্যাকেজিং: ব্যবহারের পর জিপলক বা কন্টেইনারের মুখ শক্ত করে আটকে রাখুন, কারণ এটি আর্দ্রতায় গুণমান হারাতে পারে।
FOLLOW US ON: Facebook

Reviews
There are no reviews yet.