Arsenic Trioxide (আর্সেনিক ট্রাইঅক্সাইড)
আর্সেনিক ট্রাইঅক্সাইড একটি অজৈব যৌগ যার রাসায়নিক সংকেত As2O3। এটি বাণিজ্যিকভাবে আর্সেনিকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যৌগ এবং বিভিন্ন রাসায়নিক সংশ্লেষণ, কাঁচ শিল্প এবং ঔষধ তৈরিতে সীমিত পরিসরে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি অত্যন্ত বিষাক্ত পদার্থ, তাই এটি হ্যান্ডলিং করার সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
আরও দেখুন আমাদের Laboratory Item Collection
বৈশিষ্ট্য
-
ভৌত অবস্থা: এটি সাধারণত সাদা দানাদার পাউডার বা বর্ণহীন ক্রিস্টাল আকারে থাকে।
-
দ্রবণীয়তা: এটি পানিতে সামান্য দ্রবণীয়, তবে অ্যাসিড এবং ক্ষারে দ্রুত দ্রবীভূত হয়।
-
গন্ধ ও স্বাদ: এটি সম্পূর্ণ গন্ধহীন এবং স্বাদহীন।
-
স্থায়িত্ব: সাধারণ তাপমাত্রায় এটি স্থিতিশীল কিন্তু উচ্চ তাপে বিষাক্ত ধোঁয়া তৈরি করতে পারে।
ল্যাবে ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
-
পিপিই (PPE) ব্যবহার: এটি ব্যবহারের সময় অবশ্যই ল্যাব কোট, এন-৯৫ মাস্ক, কেমিক্যাল রেজিস্ট্যান্ট গ্লাভস এবং সেফটি গগলস পরিধান করতে হবে।
-
ফিউম হুড: আর্সেনিক ট্রাইঅক্সাইড নিয়ে কাজ করার সময় অবশ্যই একটি কার্যকরী ‘ফিউম হুড’ (Fume Hood) ব্যবহার করতে হবে যাতে এর ধূলিকণা নিঃশ্বাসের সাথে শরীরে প্রবেশ না করে।
-
পরিমাপ: ডিজিটাল ব্যালেন্স ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে হবে এবং ব্যবহারের পর ওজন মাপার যন্ত্রটি ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে।
-
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: ল্যাবরেটরির নিয়ম অনুযায়ী এর অবশিষ্টাংশ নির্দিষ্ট ‘Hazardous Waste’ বিনে ফেলতে হবে।
সতর্কতা
-
অত্যন্ত বিষাক্ত: আর্সেনিক ট্রাইঅক্সাইড একটি প্রাণঘাতী বিষ। এটি পেটে গেলে বা নিঃশ্বাসের সাথে শরীরে প্রবেশ করলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
-
ত্বকের সংস্পর্শ: এটি ত্বকে লাগলে দ্রুত জ্বালাপোড়া বা ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। ত্বকে লাগলে সাথে সাথে প্রচুর পানি এবং সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
-
ক্যান্সারের ঝুঁকি: এটি একটি স্বীকৃত ‘কার্সিনোজেন’ (Carcinogen), অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদী সংস্পর্শে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
-
সংরক্ষণ: এটি অবশ্যই একটি শক্তভাবে আটকানো পাত্রে (Airtight Container) রাখতে হবে এবং তালাবদ্ধ ক্যাবিনেটে সংরক্ষণ করতে হবে যাতে অননুমোদিত কেউ এটি স্পর্শ করতে না পারে।
-
খাদ্যদ্রব্য থেকে দূরে: ল্যাবরেটরিতে এই কেমিক্যাল ব্যবহারের সময় খাবার বা পানীয় গ্রহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
FOLLOW US ON: Facebook

Reviews
There are no reviews yet.