Dichloromethane / DCM (ডাইক্লোরোমিথেন)
ডাইক্লোরোমিথেন (DCM) একটি অতি পরিচিত জৈব দ্রাবক (Organic Solvent)। এটি একটি বর্ণহীন, উদ্বায়ী (Volatile) তরল যা ল্যাবরেটরিতে এক্সট্রাকশন এবং কেমিক্যাল সিন্থেসিস প্রক্রিয়ায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এর মিষ্টি সুবাস থাকলেও এটি অত্যন্ত শক্তিশালী একটি কেমিক্যাল এবং অত্যন্ত সতর্কতা সহকারে ব্যবহার করতে হয়।
আরও দেখুন আমাদের Laboratory Item Collection
বৈশিষ্ট্য
-
ভৌত অবস্থা: বর্ণহীন এবং স্বচ্ছ তরল।
-
দ্রবণীয়তা: এটি পানিতে সামান্য দ্রবণীয় কিন্তু প্রায় সকল জৈব দ্রাবকের সাথে মিশ্রণযোগ্য।
-
উদ্বায়ী ধর্ম: এটি খুব দ্রুত বাষ্পীভূত হয় (Low Boiling Point: ৩৯.৬° সে.)।
-
ব্যবহার: এটি ল্যাবরেটরিতে রিঅ্যাকশন সলভেন্ট, ডিগ্রেসিং এজেন্ট এবং ক্যাফেইন অপসারণের মতো কাজে ব্যবহৃত হয়।
ল্যাবে ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
-
ফিউম হুড (Fume Hood) ব্যবহার: DCM খুব দ্রুত বাষ্পীভূত হয় এবং এর বাষ্প নিঃশ্বাসের সাথে শরীরে গেলে মাথা ঘোরা বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তাই এটি অবশ্যই ফিউম হুডের ভেতরে ব্যবহার করতে হবে।
-
সঠিক গ্লাভস নির্বাচন: সাধারণ ল্যাটেক্স গ্লাভস DCM-এর সংস্পর্শে খুব দ্রুত গলে যায়। তাই এটি ব্যবহারের সময় Viton বা উচ্চমানের Nitrile গ্লাভস ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়।
-
পিপিই (PPE) ব্যবহার: ল্যাব কোট, গগলস এবং মাস্ক অবশ্যই ব্যবহার করুন।
-
সিলিং বা মুখ বন্ধ রাখা: ব্যবহারের পর বোতলের মুখ দ্রুত এবং শক্তভাবে আটকে দিন যাতে বাষ্প উড়ে না যায়।
সতর্কতা
-
কাপড় ও প্লাস্টিকের দাগ: ডাইক্লোরোমিথেন একটি শক্তিশালী সলভেন্ট। এটি কাপড়ে লাগলে তন্তু নষ্ট করতে পারে এবং অনেক ধরনের প্লাস্টিককে মুহূর্তেই গলিয়ে ফেলতে পারে। তাই প্লাস্টিক ড্রপার বা পাত্র ব্যবহারে সতর্ক থাকুন।
-
ত্বক ও চোখের ক্ষতি: এটি ত্বকে লাগলে তীব্র জ্বালাপোড়া এবং চোখকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। সংস্পর্শে এলে সাথে সাথে ১০-১৫ মিনিট প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
-
কার্সিনোজেনিক ঝুঁকি: এটি মানবদেহের জন্য সম্ভাব্য ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে বিবেচিত। দীর্ঘমেয়াদী এক্সপোজার এড়িয়ে চলুন।
-
সংরক্ষণ: এটি একটি শীতল, শুষ্ক এবং ভালোভাবে বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে সংরক্ষণ করুন। সরাসরি তাপ বা আগুন থেকে দূরে রাখুন কারণ এটি দাহ্য না হলেও উচ্চ তাপে বিষাক্ত গ্যাস তৈরি করে।
FOLLOW US ON: Facebook

Reviews
There are no reviews yet.